

স্বপন হালদার
নাগরিক সংবাদদাতা
কথায় আছে জলে কুমির,ডাঙায় বাঘ। এই নিয়ে সুন্দর বন। ১৯৪৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর সুন্দর বনের ৪২৬৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ভারতের অংশ বলে চিহ্নিত করা হয়। এই অরন্যে প্রায় ৭০ রকমের ম্যানগ্রোভ পাওয়া যায়।
ভারতের সমস্ত জঙ্গলের মধ্যে এই সুন্দর বনেই সবচেয়ে বেশি বাঘের আড্ডা। ২৫৮৫ বর্গকিমি এলাকাকে টাইগার রিজার্ভ হিসেবে ধরা হয়েছে। টাইগার রিজার্ভের বেশীরভাগ অংশ পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে।
সুন্দর বনের টাইগার রিজার্ভের “কোর এরিয়ার” আয়োতন ১৩৩০,১২ বর্গকিমি। ১৯৮৪ সালে কোর এরিয়াকে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৮৭ সালে ফোর এরিয়া ওয়ার্ল্ড-হেরিটেজের মর্যাদা পায়। এছাড়া, ১২৫৫ বর্গকিমিকে বাফার এরিয়া হিসেবে ধরা হয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে সুন্দর বনের আয়োতন প্রায় নয় হাজার বর্গ মাইল। টাইগার প্রজেক্টের দেওয়া তথ্য জানা যায় যে, বর্তমানে প্রায় ২৬৪ টি বাঘ সুন্দর বনে আছে। এর মধ্যে বেশ কিছু শাবক আছে। তবে চোর শিকারী এবং প্রাকৃতিক বির্পযয়ে বেশ কিছু বাঘ মারা গেছে। অবিলম্বে বাঘ হত্যা বন্ধ করতে হবে।
সুন্দর বনের সব বাঘ মানুষ খেকো নয়। খুবই নগন্য সংখ্যক মানুষ খেকো। বাসস্থান এবং খাবারের সংকট দেখা দিলে ওরা লোকালয়ে এসে হানা দেয়। মানুষ, গরু, ছাগল মারে। প্রতি বছরই জঙ্গঁলে মধু সংগ্রহ কারীদের অনেকেই বাঘের পেটে যায়। কয়েকদিন আগের ঘটনা-----------কৈখালির সঞ্জয় সর্দার মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের খপ্পরে পড়ে মৃত্যু হয় তার। প্রতি বছরই সুন্দর বনের নদীতে বাঘ এবং কুমিরের আক্রমনে বহু মানুষ মারা যায়। এই অরন্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কুইন্টাল মধু, ৩০০০ কি গ্রাম মোম পাওয়া যায়। প্রায় ১০০ প্রজাতির মাছ ও প্রচুর পরিমানে কাঁকড়া এবং চিংড়ি পাওয়া যায়। এর থেকে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা আয় হয়। সুন্দর বন কে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের নানা মহলের উৎসাহ ইদানিং বৃদ্ধি পাচ্ছে, এখানে ছোট বিমান বন্দর গড়ে উঠলে ইকো টুরিজম নতুন মাত্রা পাবে। সমুদ্র ও অরণ্য থেকে দূরত্ব বজায় রেখে গড়ে তুললে কোন সমস্যা হবেনা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সুন্দর বনের পরিবেশ রক্ষা অত্যন্ত জরুরী। কিছুদিন আগে সামুদ্রিক ঝড়ের (আয়লার) তান্ডবে সুন্দর বন বিশাল অংশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অগনিত ঘরবাড়ি, ভেঙে চুরমার হয়েছে। নদী-বাঁধ ভেঙেছে বহু জায়গায়। লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্প্রতি নষ্ট হয়েছে। ভয়ের কথা, বেশ কিছু বাঘের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে অরন্য ধ্বংস এবং অন্য দিকে নদীতে পলী জমে যাওয়ায়, সহজেই বাঘেরা নদী পেরিয়ে গ্রামে ঢুকে মানুষদের আক্রমন করছে। বাঘেদের বাসস্থান,এবং খাদ্য সমস্যা দুর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার কে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। নচেৎ দক্ষিন রায় হয়তো একদিন শহরেই হানা দেবে।
কথায় আছে জলে কুমির,ডাঙায় বাঘ। এই নিয়ে সুন্দর বন। ১৯৪৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর সুন্দর বনের ৪২৬৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ভারতের অংশ বলে চিহ্নিত করা হয়। এই অরন্যে প্রায় ৭০ রকমের ম্যানগ্রোভ পাওয়া যায়।
ভারতের সমস্ত জঙ্গলের মধ্যে এই সুন্দর বনেই সবচেয়ে বেশি বাঘের আড্ডা। ২৫৮৫ বর্গকিমি এলাকাকে টাইগার রিজার্ভ হিসেবে ধরা হয়েছে। টাইগার রিজার্ভের বেশীরভাগ অংশ পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে।
সুন্দর বনের টাইগার রিজার্ভের “কোর এরিয়ার” আয়োতন ১৩৩০,১২ বর্গকিমি। ১৯৮৪ সালে কোর এরিয়াকে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৮৭ সালে ফোর এরিয়া ওয়ার্ল্ড-হেরিটেজের মর্যাদা পায়। এছাড়া, ১২৫৫ বর্গকিমিকে বাফার এরিয়া হিসেবে ধরা হয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে সুন্দর বনের আয়োতন প্রায় নয় হাজার বর্গ মাইল। টাইগার প্রজেক্টের দেওয়া তথ্য জানা যায় যে, বর্তমানে প্রায় ২৬৪ টি বাঘ সুন্দর বনে আছে। এর মধ্যে বেশ কিছু শাবক আছে। তবে চোর শিকারী এবং প্রাকৃতিক বির্পযয়ে বেশ কিছু বাঘ মারা গেছে। অবিলম্বে বাঘ হত্যা বন্ধ করতে হবে।
সুন্দর বনের সব বাঘ মানুষ খেকো নয়। খুবই নগন্য সংখ্যক মানুষ খেকো। বাসস্থান এবং খাবারের সংকট দেখা দিলে ওরা লোকালয়ে এসে হানা দেয়। মানুষ, গরু, ছাগল মারে। প্রতি বছরই জঙ্গঁলে মধু সংগ্রহ কারীদের অনেকেই বাঘের পেটে যায়। কয়েকদিন আগের ঘটনা-----------কৈখালির সঞ্জয় সর্দার মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের খপ্পরে পড়ে মৃত্যু হয় তার। প্রতি বছরই সুন্দর বনের নদীতে বাঘ এবং কুমিরের আক্রমনে বহু মানুষ মারা যায়। এই অরন্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কুইন্টাল মধু, ৩০০০ কি গ্রাম মোম পাওয়া যায়। প্রায় ১০০ প্রজাতির মাছ ও প্রচুর পরিমানে কাঁকড়া এবং চিংড়ি পাওয়া যায়। এর থেকে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা আয় হয়। সুন্দর বন কে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের নানা মহলের উৎসাহ ইদানিং বৃদ্ধি পাচ্ছে, এখানে ছোট বিমান বন্দর গড়ে উঠলে ইকো টুরিজম নতুন মাত্রা পাবে। সমুদ্র ও অরণ্য থেকে দূরত্ব বজায় রেখে গড়ে তুললে কোন সমস্যা হবেনা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সুন্দর বনের পরিবেশ রক্ষা অত্যন্ত জরুরী। কিছুদিন আগে সামুদ্রিক ঝড়ের (আয়লার) তান্ডবে সুন্দর বন বিশাল অংশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। অগনিত ঘরবাড়ি, ভেঙে চুরমার হয়েছে। নদী-বাঁধ ভেঙেছে বহু জায়গায়। লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্প্রতি নষ্ট হয়েছে। ভয়ের কথা, বেশ কিছু বাঘের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে অরন্য ধ্বংস এবং অন্য দিকে নদীতে পলী জমে যাওয়ায়, সহজেই বাঘেরা নদী পেরিয়ে গ্রামে ঢুকে মানুষদের আক্রমন করছে। বাঘেদের বাসস্থান,এবং খাদ্য সমস্যা দুর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার কে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। নচেৎ দক্ষিন রায় হয়তো একদিন শহরেই হানা দেবে।
No comments:
Post a Comment