

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন চলে এসেছে পৃথিবীর নতুন সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের চুড়ান্ত তালিকায়।
বিশ্বের ৭৭টি স্থানের মধ্যে প্রথমে ভোটের মাধ্যমে ঠিক করা হয় ৪৩ টির নাম। এরপর বিশেষজ্ঞদের বিশেষ বিচারের পর আটাশটিকে চুড়ান্ত তালিকায় নিয়ে এসেছে এই প্রতিষ্ঠান।
নতুন এই তালিকায় আমাজান জঙ্গল, জাপানের কিনকাগুজি স্বর্ণ মন্দির, ব্রাজিলের আঙ্গেল ফলস, ডেড সি, ভিয়েতনামের হ্যালোং বে, ব্রাজিলের ইগুয়াজু ফলস, কমোডো দ্বীপ, দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ, বাংলাদেশ এবং ভারতের সুন্দরবনসহ মোট ২৮টির স্থান রয়েছে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যান বা সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ। অববাহিকার সমুদ্রমূখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত। ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ। বনভূমিটি, স্বনামে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরণের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির ও সাপ সহ অসংখ্য প্রজাতি প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। জরিপ মোতাবেক ৫০০ বাঘ ও ৩০,০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে এখন সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবন চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়ায় খুশি বাংলাদেশের
বিশ্বের ৭৭টি স্থানের মধ্যে প্রথমে ভোটের মাধ্যমে ঠিক করা হয় ৪৩ টির নাম। এরপর বিশেষজ্ঞদের বিশেষ বিচারের পর আটাশটিকে চুড়ান্ত তালিকায় নিয়ে এসেছে এই প্রতিষ্ঠান।
নতুন এই তালিকায় আমাজান জঙ্গল, জাপানের কিনকাগুজি স্বর্ণ মন্দির, ব্রাজিলের আঙ্গেল ফলস, ডেড সি, ভিয়েতনামের হ্যালোং বে, ব্রাজিলের ইগুয়াজু ফলস, কমোডো দ্বীপ, দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ, বাংলাদেশ এবং ভারতের সুন্দরবনসহ মোট ২৮টির স্থান রয়েছে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যান বা সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ। অববাহিকার সমুদ্রমূখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত। ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ। বনভূমিটি, স্বনামে বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরণের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির ও সাপ সহ অসংখ্য প্রজাতি প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। জরিপ মোতাবেক ৫০০ বাঘ ও ৩০,০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে এখন সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সুন্দরবন চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়ায় খুশি বাংলাদেশের
No comments:
Post a Comment