

হাওড়া, হুগলী সমগ্র দক্ষিনবঙ্গের নদীগুলি ইতিমধ্যেই জল দূষনের দ্বারা আক্রান্ত। এর একমাত্র কারণ নয়াচরের কেমিকেল হার।
মৎসজীবিদের ক্ষেত্রে আঘাতটা বেশী করে পড়ছে। তাদের আর্থসামাজিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়ার মুখে। বর্তমান নিয়ম অনুসারে মৎস দপ্তর মৎসজীবিদের মাছ ধরার পারমিট দিলেও, দুর্ভাগ্যবশত বনদপ্তর ও টাইগার প্রজেক্টর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গরীব মৎসজীবিদের বিবাদ লেগেই আছে।
কিন্তু নানা ভাবে ওদের হেনস্থা করা হয়। যেমম জল-নৌকা ইত্যাদি আটক করে ওদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। আবার পরিবেশ রক্ষার জিগির তুলে অহেতুক হয়রানি করা হয়। আবার শোনা যাচ্ছে বিশ্বায়নের কথা তুলে বিশাল জমিজমা সাহারা ইন্ডিয়া এবং সেলিম গোষ্ঠীদের দিয়ে দেবার চক্রান্ত চলেছে। বাংলাদেশ সরকার তাদের ভৌগলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সুন্দর বনের মৎসজীবিদের সর্বত্র মাছ ধরবার অধিকার দিয়েছে। অত
বন দপ্তর ফরেষ্ট অ্যাকট, ওয়াইন্ড লাইক প্রোটেকশন অ্যাকট অনুসারে মৎসজীবিরদের স্বার্থ এবং অরন্যের সম্পদ দুইই রক্ষার মধ্যে লড়াই বা দ্বন্দ থাকা উচিৎ নয়। যদিও, সুন্দর বনের কোর এরিয়া ও নন কোর এরিয়ার নিরাপত্তার সমস্যা আছে। ইতিমধ্যে জম্বুদ্বীপ থেকে কয়েক হাজার মৎসজীবি পরিবার উচ্ছেদ হয়েছেন। ফ্রেজার গঙ্গা,দীঘা,শংকর পুরেও মৎসজীবিদের ভাতে মারার চেষ্টা চলছে।
হলদিয়া পুর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় বন্দর। বিভিন্ন রাসায়নিক তরল বর্জ এবং বিশেষ করে রানী চকের চিনি রিফাইনারি কারখানায় দূষনের ফলে ক্ষতি হচ্ছে, ঐ অঞ্চলের মানুষের এমনকি নদীরও।
নয়াচরে কেমিকেল হাব হলে সমগ্র সুন্দর বন ছাড়া, ওপারেও জলজ সম্পদের বিশাল ক্ষতি হবে। ইতিমধ্যে, বিভিন্ন মাছের পেটে বিশাক্ত মার্কারির, ও মিথাইলের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই ভাবে চলতে থাকলে, সুন্দরবন অঞ্চলের মাছ, এমন কি গঙ্গা, পদ্মা, দামোদর, রুপনারায়ন থেকে ইলিশও বিপন্ন হবে।
ঐ সমস্ত অঞ্চলের মাছ প্রোটিন সমৃদ্ধ হলেও, গর্ভবতী মা এবং শিশুর পক্ষে ক্ষতি কারক। এছাড়া মস্তিকের নানান সমস্যা, স্নায়ুঘটিত নানান সমস্যা ডেকে আনবে। সুন্দরবন বা ঐ সমস্ত অঞ্চলের মাছ থেকে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা আসে। তাই সরকার এবং বেসরকারী মৎসদপ্তর, মৎসব্যাবসা কেন্দ্র, সবাইকেই সুন্দরবনের জলজ সম্পদ রক্ষার দায়বদ্ধতা পালন করতে হবে।
তাই নয়াচরে কেমিকেল হাব, আমাদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
মৎসজীবিদের ক্ষেত্রে আঘাতটা বেশী করে পড়ছে। তাদের আর্থসামাজিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়ার মুখে। বর্তমান নিয়ম অনুসারে মৎস দপ্তর মৎসজীবিদের মাছ ধরার পারমিট দিলেও, দুর্ভাগ্যবশত বনদপ্তর ও টাইগার প্রজেক্টর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গরীব মৎসজীবিদের বিবাদ লেগেই আছে।
কিন্তু নানা ভাবে ওদের হেনস্থা করা হয়। যেমম জল-নৌকা ইত্যাদি আটক করে ওদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। আবার পরিবেশ রক্ষার জিগির তুলে অহেতুক হয়রানি করা হয়। আবার শোনা যাচ্ছে বিশ্বায়নের কথা তুলে বিশাল জমিজমা সাহারা ইন্ডিয়া এবং সেলিম গোষ্ঠীদের দিয়ে দেবার চক্রান্ত চলেছে। বাংলাদেশ সরকার তাদের ভৌগলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সুন্দর বনের মৎসজীবিদের সর্বত্র মাছ ধরবার অধিকার দিয়েছে। অত
বন দপ্তর ফরেষ্ট অ্যাকট, ওয়াইন্ড লাইক প্রোটেকশন অ্যাকট অনুসারে মৎসজীবিরদের স্বার্থ এবং অরন্যের সম্পদ দুইই রক্ষার মধ্যে লড়াই বা দ্বন্দ থাকা উচিৎ নয়। যদিও, সুন্দর বনের কোর এরিয়া ও নন কোর এরিয়ার নিরাপত্তার সমস্যা আছে। ইতিমধ্যে জম্বুদ্বীপ থেকে কয়েক হাজার মৎসজীবি পরিবার উচ্ছেদ হয়েছেন। ফ্রেজার গঙ্গা,দীঘা,শংকর পুরেও মৎসজীবিদের ভাতে মারার চেষ্টা চলছে।
হলদিয়া পুর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় বন্দর। বিভিন্ন রাসায়নিক তরল বর্জ এবং বিশেষ করে রানী চকের চিনি রিফাইনারি কারখানায় দূষনের ফলে ক্ষতি হচ্ছে, ঐ অঞ্চলের মানুষের এমনকি নদীরও।
নয়াচরে কেমিকেল হাব হলে সমগ্র সুন্দর বন ছাড়া, ওপারেও জলজ সম্পদের বিশাল ক্ষতি হবে। ইতিমধ্যে, বিভিন্ন মাছের পেটে বিশাক্ত মার্কারির, ও মিথাইলের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই ভাবে চলতে থাকলে, সুন্দরবন অঞ্চলের মাছ, এমন কি গঙ্গা, পদ্মা, দামোদর, রুপনারায়ন থেকে ইলিশও বিপন্ন হবে।
ঐ সমস্ত অঞ্চলের মাছ প্রোটিন সমৃদ্ধ হলেও, গর্ভবতী মা এবং শিশুর পক্ষে ক্ষতি কারক। এছাড়া মস্তিকের নানান সমস্যা, স্নায়ুঘটিত নানান সমস্যা ডেকে আনবে। সুন্দরবন বা ঐ সমস্ত অঞ্চলের মাছ থেকে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা আসে। তাই সরকার এবং বেসরকারী মৎসদপ্তর, মৎসব্যাবসা কেন্দ্র, সবাইকেই সুন্দরবনের জলজ সম্পদ রক্ষার দায়বদ্ধতা পালন করতে হবে।
তাই নয়াচরে কেমিকেল হাব, আমাদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
No comments:
Post a Comment