

সম্প্রতি পূর্ব মেদেনীপুর জেলার কাঁথি মহকুমায় “বিশ্ব মৎস্যজীবি দিবস” পালন করা হলো। দক্ষিনবঙ্গের মত পূর্ব মেদেনীপুরও মৎস্য শিল্পের জন্য উন্নত। কিন্তু নানা কারনে বর্তমানে মৎস্য চাষীরা সংকটে পড়েছেন। তাই, তাঁরা নিজেদের বাঁচার তাগিদে নিজেরাই সংগঠিত হচ্ছেন।
বর্তমানে ভারতে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ মৎস্যজীবি সমুদ্রে মাছ ধরে জীবিকা অজর্ন করেন। প্রায় আট হাজার কিলোমিটার সমুদ্র উপকুল এলাকায় বংশ পরম্প্রায় ভারতের মৎস্যজীবিরা জীবন জীবিকার সাথে যুক্ত।
প্রবল ঝড়, জল, বৃষ্টি, কখনো বা প্রখর রোদেই তাঁরা জল যান নিয়ে মৃত্যুকে তুচ্ছ করে নদী সাগরে পাড়ি দেন। রাত্রি শেষে ভোরের আগে ঘরে ফেরে। কখনো বা নিষ্ঠুর প্রকৃতি তাঁদেরই কাউকে ঘরে আর ফিরতে দেয়না। হারিয়ে যায় সমুদ্রে। গত কয়েকদিন আগের ঘটনা। ১৩ জন মৎস্যজীবি কাকদ্বীপ থেকে গিয়েছিল সাগরে। আর ফেরেনি। ট্রলারের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
ঐ সমস্ত মৎস্যজীবিরা বছরে প্রায় ৩০ লক্ষ টন মাছ ধরেন। মাছ থেকে বিদেশী মুদ্রাও আসে। কিন্তু, রহস্যজনক কারণে শুধু মাত্র কাঁথি মহকুমাতেই প্রায় ষাট হাজার মৎস্যজীবি কর্মচ্যুত হবেন। অথচ, সমুদ্র মোহনায় বে আইনী ভাবে গড়ে উঠছে নানান প্রকল্প।
একদিকে গড়ে উঠছে জাহাজ ভাসার কারখানা। কেমিকেল হাব, সমুদ্র বন্দর, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদি। অন্যদিকে জীবন জীবিকা থেকে মৎস্যজীবিদের উচ্ছেদ হচ্ছে।
ভারতের উচ্চ ন্যায় আদালতে মৎস্যজীবিদের জীবন জীবিকাকে স্বীকৃতি দিলেও বিশ্বায়নের কাছে নতি স্বীকার করে মৎস্যজীবিদের উপর আক্রমন আসছে।
বর্তমানে ভারতে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ মৎস্যজীবি সমুদ্রে মাছ ধরে জীবিকা অজর্ন করেন। প্রায় আট হাজার কিলোমিটার সমুদ্র উপকুল এলাকায় বংশ পরম্প্রায় ভারতের মৎস্যজীবিরা জীবন জীবিকার সাথে যুক্ত।
প্রবল ঝড়, জল, বৃষ্টি, কখনো বা প্রখর রোদেই তাঁরা জল যান নিয়ে মৃত্যুকে তুচ্ছ করে নদী সাগরে পাড়ি দেন। রাত্রি শেষে ভোরের আগে ঘরে ফেরে। কখনো বা নিষ্ঠুর প্রকৃতি তাঁদেরই কাউকে ঘরে আর ফিরতে দেয়না। হারিয়ে যায় সমুদ্রে। গত কয়েকদিন আগের ঘটনা। ১৩ জন মৎস্যজীবি কাকদ্বীপ থেকে গিয়েছিল সাগরে। আর ফেরেনি। ট্রলারের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
ঐ সমস্ত মৎস্যজীবিরা বছরে প্রায় ৩০ লক্ষ টন মাছ ধরেন। মাছ থেকে বিদেশী মুদ্রাও আসে। কিন্তু, রহস্যজনক কারণে শুধু মাত্র কাঁথি মহকুমাতেই প্রায় ষাট হাজার মৎস্যজীবি কর্মচ্যুত হবেন। অথচ, সমুদ্র মোহনায় বে আইনী ভাবে গড়ে উঠছে নানান প্রকল্প।
একদিকে গড়ে উঠছে জাহাজ ভাসার কারখানা। কেমিকেল হাব, সমুদ্র বন্দর, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদি। অন্যদিকে জীবন জীবিকা থেকে মৎস্যজীবিদের উচ্ছেদ হচ্ছে।
ভারতের উচ্চ ন্যায় আদালতে মৎস্যজীবিদের জীবন জীবিকাকে স্বীকৃতি দিলেও বিশ্বায়নের কাছে নতি স্বীকার করে মৎস্যজীবিদের উপর আক্রমন আসছে।
No comments:
Post a Comment