

জুলাই মাসের ১০ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত জার্মানির ব্রেমেন শহরের অনুষ্ঠিত হল ৫০ তম ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথম্যাটিক অলিম্পিয়াড বা আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড। সারা বিশ্বের ১০৪ টি দেশ এতে অংশ গ্রহণ করেছে। এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য হল গণিত, জ্যামিতি এবং পরিসংখ্যানে নিজেদের পারদর্শীতা প্রমাণ করা।
কী এই গণিত অলিম্পিয়াড? ১৯৫৯ সালে রোমানিয়ায় প্রথম এই প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়। তখন অংশগ্রহণ করেছিল মাত্র ৭টি দেশ। এরপর অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
প্রথম যখন এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় তখন প্রতিটি দেশ মাত্র ৮ জন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারতো। এরপর ১৯৮৩ সালে তা কমিয়ে ৬ করা হয়। তবে বেশ কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। যেমন কোন প্রতিনিধির বয়স ২০ বছরের বেশি হতে পারবে না। কোনো অবস্থাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হতে পারবে না।
এছাড়া প্রতিযোগিতায় ৬ জন প্রতিনিধির সঙ্গে একজন দলনেতা এবং উপদলনেতা থাকতে পারবে। প্রতিযোগিতায় ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিক ঘড়ি, সেল ফোন, কোন ধরনের খেলনা, বই, নোট সবকিছুই নেওয়া ছিল নিষিদ্ধ। শুধু কাগজ, পেন্সিল, ইরেজার, শার্পনার, কম্পাস, স্কেল নেওয়ার অনুমতি ছিল।
এবারের প্রতিযোগিতায় বরাবরের মত প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে চীন। ১০৭ টি সোনা, ২৬ টি রুপা এবং ৫ টি ব্রোঞ্জ পদক। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। বংলাদেশ পেয়েছে দুটি ব্রোঞ্জ পদক। ভারত পেয়েছে তিনটি রুপা এবং দুটি ব্রোঞ্জ। পাকিস্তান পেয়েছে একটি ব্রোঞ্জ এবং শ্রীলঙ্কা পেয়েছে দুটি ব্রোঞ্জ।
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ৪টি ভাষা প্রচলিত। ইংরেজী, ফরাসী, জার্মান এবং রুশ। তবে বেশ কিছু অংশগ্রহণকারী দেশের ভাষা স্প্যানিশ হওয়ায় - স্প্যানিশ ভাষাও যুক্ত করা হয়েছে।
এবারের ৫০ তম গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে চীন, দ্বিতীয় জাপান, তৃতীয় রাশিয়া, চতুর্থ দক্ষিণ কোরিয়া এবং পঞ্চম উত্তর কোরিয়া। ভারতের অবস্থান ২৮ এবং বাংলাদেশের অবস্থান ৫৮।
ভারত ১৯৮৯ সাল থেকে নিয়মিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে এবং বাংলাদেশ শুরু করছে এই তো ২০০৫ সাল থেকে। বলতেই হচ্ছে অংশগ্রহণকারী নতুন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের হতাশার কিছু নেই। সামনে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। বেস্ট অফ লাক ইন্ডিয়া, বেস্ট অফ লাক বাংলাদেশ।
কী এই গণিত অলিম্পিয়াড? ১৯৫৯ সালে রোমানিয়ায় প্রথম এই প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করা হয়। তখন অংশগ্রহণ করেছিল মাত্র ৭টি দেশ। এরপর অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
প্রথম যখন এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় তখন প্রতিটি দেশ মাত্র ৮ জন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারতো। এরপর ১৯৮৩ সালে তা কমিয়ে ৬ করা হয়। তবে বেশ কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। যেমন কোন প্রতিনিধির বয়স ২০ বছরের বেশি হতে পারবে না। কোনো অবস্থাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হতে পারবে না।
এছাড়া প্রতিযোগিতায় ৬ জন প্রতিনিধির সঙ্গে একজন দলনেতা এবং উপদলনেতা থাকতে পারবে। প্রতিযোগিতায় ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিক ঘড়ি, সেল ফোন, কোন ধরনের খেলনা, বই, নোট সবকিছুই নেওয়া ছিল নিষিদ্ধ। শুধু কাগজ, পেন্সিল, ইরেজার, শার্পনার, কম্পাস, স্কেল নেওয়ার অনুমতি ছিল।
এবারের প্রতিযোগিতায় বরাবরের মত প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে চীন। ১০৭ টি সোনা, ২৬ টি রুপা এবং ৫ টি ব্রোঞ্জ পদক। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। বংলাদেশ পেয়েছে দুটি ব্রোঞ্জ পদক। ভারত পেয়েছে তিনটি রুপা এবং দুটি ব্রোঞ্জ। পাকিস্তান পেয়েছে একটি ব্রোঞ্জ এবং শ্রীলঙ্কা পেয়েছে দুটি ব্রোঞ্জ।
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ৪টি ভাষা প্রচলিত। ইংরেজী, ফরাসী, জার্মান এবং রুশ। তবে বেশ কিছু অংশগ্রহণকারী দেশের ভাষা স্প্যানিশ হওয়ায় - স্প্যানিশ ভাষাও যুক্ত করা হয়েছে।
এবারের ৫০ তম গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে চীন, দ্বিতীয় জাপান, তৃতীয় রাশিয়া, চতুর্থ দক্ষিণ কোরিয়া এবং পঞ্চম উত্তর কোরিয়া। ভারতের অবস্থান ২৮ এবং বাংলাদেশের অবস্থান ৫৮।
ভারত ১৯৮৯ সাল থেকে নিয়মিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে এবং বাংলাদেশ শুরু করছে এই তো ২০০৫ সাল থেকে। বলতেই হচ্ছে অংশগ্রহণকারী নতুন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের হতাশার কিছু নেই। সামনে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। বেস্ট অফ লাক ইন্ডিয়া, বেস্ট অফ লাক বাংলাদেশ।














































